দুবরাজপুর শহরে বেহাল রাস্তার জেরে দুর্ভোগের শিকার জনসাধারণ - G Tv { Go Fast Go Together)
দুবরাজপুর শহরে বেহাল রাস্তার জেরে দুর্ভোগের শিকার জনসাধারণ

দুবরাজপুর শহরে বেহাল রাস্তার জেরে দুর্ভোগের শিকার জনসাধারণ

রাস্তা তুমি কার??? রাস্তা না পুকুর??? বীরভূম জেলার দুবরাজপুর শহরে দিনকে দিন গাড়ির সংখ্যা যেরকম বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে রাস্তা খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। দেখে মনেই হবে না এটা রাস্তা, না পুকুর, না ধান-জমির মাঠ! তারপর আবার দুবরাজপুর শহরের মধ্য দিয়ে চলে গিয়েছে রানিগঞ্জ-মোরগ্রাম ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক। রাস্তার পাশেই রয়েছে দুবরাজপুর পৌরসভা এবং দুবরাজপুর থানা। আর থানার এক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে দুবরাজপুর মানসায়ের গ্রামীণ হাসপাতাল। কিন্তু দুবরাজপুর পাওয়ার হাউস মোড় থেকে পাহাড়েশ্বর পর্যন্ত এবং দুবরাজপুর কামারশাল মোড় থেকে দুবরাজপুর মানসায়ের গ্রামীণ হাসপাতাল হয়ে হেতমপুর পর্যন্ত রাস্তার বেহাল অবস্থা। ফলে প্রতিদিন মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। কিন্তু পথচারী থেকে শুরু করে গাড়ির চালক, দোকানদাররা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এই খানাখন্দে ভরা রাস্তার জন্য। অনেক কস্টার্জিত পয়সা দিয়ে দু’চাকা-চার চাকা কেনার পর জনসাধারণ অমানুষিক কষ্টের শিকার হচ্ছেন। এমনকী এই খারাপ রাস্তার ফলে প্রায়শই দশ চাকা লরী বিকল হয়ে পড়ে থাকছে দুবরাজপুর শহরে। ফলে দুবরাজপুর শহরে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। জনসাধারণ কষ্টের শিকার হচ্ছেন ঠিকই কিন্তু সড়ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা। যদিও বা স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে নিশ্চুপ। বিশ্বনাথ কর্মকার নামে এক পথচারী জানান, এই রাস্তা খারাপের জন্য প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই দ্রুত রাস্তা সারাইয়ের দাবী করছি। পাশাপাশি টোটো চালক সেখ নূর সেলিম জানান, আমরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে রোগী বা যাত্রীদের নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে পারাপার করতে হয়। কিন্তু প্রশাসনের কোনো হেলদোল নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী লালু দত্ত জানান, বৃষ্টির জেরে রাস্তা পুকুরে পরিণত হয়েছে। আমার রাস্তার ধারে দোকান। কিন্তু দোকানের জিনিসপত্র লোড করার সময় যানজটের সৃষ্টি হয় তখন খুব অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়। সেখ আমু নামে এক ভ্যান চালক জানান, এত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় প্রায়ই গাড়ী পাল্টি খায়। এমনকী টোটো ও ভ্যান নিয়ে যাবার সময় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের যেতে হয়।

Leave a Reply

Translate »