Reported BY:- Manoj Das
খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক পুরসভা এলাকায় জোরদার করা হল নজরদারি। পরপর দু’দিন ধরে কামারহাটি ও পানিহাটি পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বেকারিতে অভিযান চালাল খাদ্য সুরক্ষা দফতর এবং পুরসভার আধিকারিকরা।
আজ সকালে কামারহাটি পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন বেকারিতে অভিযান চালানো হয়। খাদ্যসামগ্রী কীভাবে প্রস্তুত ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে, ব্যবহৃত উপকরণের মান কেমন এবং খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়মকানুন মানা হচ্ছে কি না—সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।
এর আগে গতকাল কামারহাটি পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁতেও অভিযান চালানো হয়েছিল। ধারাবাহিক এই অভিযানের মাধ্যমে খাবারের গুণমান এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার বিষয়ে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে।
আজ বিকেলে একইভাবে পানিহাটি পৌরসভা এলাকার দুটি প্রতিষ্ঠিত রেস্তোরাঁয় যৌথভাবে অভিযান চালানো হয়। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে অভিযানে ছিলেন পুলিশ এবং পানিহাটি পৌরসভার আধিকারিকরা।
অভিযান চলাকালীন রেস্তোরাঁগুলির রান্নাঘর, খাবার তৈরির পদ্ধতি, খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি গ্রাহকদের পরিবেশন করা খাবারের মান এবং খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, তাও নজরে রাখা হয়।
সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোডের বড় হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলিতেও খাদ্য দফতরের সদস্য এবং পুরসভার আধিকারিকরা পরিদর্শন করেন। সাধারণ মানুষের কাছে যাতে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ খাবার পৌঁছয়, সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের অভিযান বলে জানা গিয়েছে।
খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে পরপর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযানকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বেকারির মতো জায়গায় খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছে, তা সরেজমিনে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
কামারহাটি ও পানিহাটি—দুই পুরসভা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযানের ফলে ব্যবসায়ী মহলেও খাদ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলার বিষয়ে সচেতনতা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনেও এই ধরনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

